অ্যামাইনো এসিড
আসুন, অ্যামাইনো এসিডকে ডাকি
১. অ্যামাইনো এসিড আসলে কী? (পুঁতির মালার গল্প)
পুরো মালাটা হলো = প্রোটিন (যেমন: কোলাজেন, যা আপনি একটু আগে শিখলেন)।আর মালার ভেতরে যে ছোট ছোট পুঁতিগুলো আছে = ওগুলোই হলোঅ্যামাইনো এসিড ।
২. বর্ণমালার খেলা (Alphabet Game)
৩. এসেনশিয়াল বনাম নন-এসেনশিয়াল (বাজারের থলি বনাম ঘরের ফ্রিজ)
আমাদের শরীরও খুব বুদ্ধিমান। কিছু অ্যামাইনো এসিড সে নিজেই নিজের কারখানায় তৈরি করে নিতে পারে। বাইরে থেকে খেতে হয় না। এগুলোই নন-এসেনশিয়াল।
তেমনি ৯টি অ্যামাইনো এসিড আছে যা আমাদের শরীর তৈরি করতে পারে না। এগুলো আপনাকে খাবারের মাধ্যমে (বাজার থেকে কিনে) শরীরে ঢোকাতে হবে। এগুলোই এসেনশিয়াল বা অপরিহার্য।
৪. কোথায় পাবেন এই ম্যাজিক উপাদান?
ফার্স্ট ক্লাস সোর্স (সব আছে): মাছ, মাংস, ডিম, দুধ। এগুলোকে বলা হয় 'কমপ্লিট প্রোটিন'। মানে এই লেগো সেটে সব সাইজের টুকরো আছে।সেকেন্ড ক্লাস সোর্স (কিছু মিসিং থাকতে পারে): ডাল, বাদাম, বীজ। উদ্ভিজ্জ খাবারে মাঝেমধ্যে দু-একটা অ্যামাইনো এসিড কম থাকে।মজার টিপস: এজন্যই আমরাখিচুড়ি খাই (চাল + ডাল)। চালের অভাব ডাল পূরণ করে, আর ডালের অভাব চাল পূরণ করে। ফলে খিচুড়ি মাংসের মতোই শক্তিশালী হয়ে ওঠে!
৫. কেন দরকার? (শরীরের মেকানিক)
এক নজরে মনে রাখার সূত্র:
উপমা: প্রোটিন যদি হয় মালা, অ্যামাইনো এসিড হলো পুঁতি।সংখ্যা: মোট ২০টি (ম্যাজিক সংখ্যা)।কাজ: শরীর গঠন ও মেরামত করা।জরুরি: ৯টি শরীর বানাতে পারে না, তাই ডিম-দুধ-ডাল খেয়ে সেটা জোগাড় করতে হয়।
Comments
Post a Comment