ন্যাটো (NATO) কী?ন্যাটো হলো উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর একটি সামরিক জোট।[1] এর পূর্ণ রূপ হলো North Atlantic Treaty Organization (নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন)।[1][2][3][4][5]
সহজে মনে রাখার ৩টি মূল বিষয়:
১. একতাই বল (আর্টিকেল ৫): ন্যাটোর মূল মন্ত্র হলো "একের ওপর আক্রমণ মানে সবার ওপর আক্রমণ" (One for all, all for one)। অর্থাৎ, ন্যাটোর কোনো একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি ৩১টি দেশ তার হয়ে লড়াই করবে।
২. প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালে (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবিলা করতে এটি গঠিত হয়)।
৩.[2][6] সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
ন্যাটো সম্পর্কে সাম্প্রতিক ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (আপডেট):
বর্তমান সদস্য সংখ্যা: বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশ ৩২টি।[2][6][7][8][9][10][11]
সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন (যারা ২০২৪ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়)। এর ঠিক আগেই ২০২৩ সালে ফিনল্যান্ড যোগ দিয়েছিল।[12]
নতুন মহাসচিব (প্রধান): ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর ন্যাটোর নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে (Mark Rutte)। তিনি জেন্স স্টলটেনবার্গের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।[3][13][14][15]
ওয়াশিংটন সম্মেলন ২০২৪: ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ন্যাটোর ৭৫ বছর পূর্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।[8][11][12] সেখানে ইউক্রেনকে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক সহায়তা এবং ন্যাটোতে ইউক্রেনের ভবিষ্যতের সদস্যপদ নিয়ে "অপরিবর্তনীয় সেতু" (Irreversible Bridge) তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়।[11][16]
একনজরে মনে রাখার চার্ট:
নাম: NATO
সদস্য: ৩২ (সর্বশেষ সুইডেন)[2][4][11]
প্রধান কাজ: সদস্য দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।[6][8][9][12]
বর্তমান প্রধান: মার্ক রুটে।[6][8][13][15][17]
Comments
Post a Comment